সাইদুল ইসলাম, বালাগঞ্জ, (সিলেট),ক্রাইম রিপোর্টার ::
সিলেটের বালাগঞ্জ উপজেলার দয়ামীর-দেওয়ান বাজার সড়ক দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। সামান্য বৃষ্টি হলেই সড়কের বিভিন্ন অংশে বড় বড় গর্তে পানি জমে মিনি পুকুরে রুপনেয় কাদাজলের মাখামাখিতে যোগাযোগ কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। ফলে এলাকাবাসীসহ যাতায়াতকারীরা প্রতিনিয়ত চরম ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সড়কের কিছু অংশে সংস্কার কাজ হলে ও এক বছরের বেশি সময় পার হতে চলছে অধিকাংশ অংশ এখনো সংস্কারবিহীন রয়ে গেছে। বিশেষ করে বালাগঞ্জ উপজেলা অন্তর্ভুক্ত মাদরাসা বাজার থেকে মোরার বাজার পর্যন্ত এবং ওসমানী নগর অন্তর্ভুক্ত ইছামতী হতে দয়ামীর বাজার পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এ দুটি অংশে বড় বড় গর্ত, ভাঙন ও কাদামাটি জমে সড়কটি চলাচলের সম্পূর্ণ অনুপযোগী হয়ে পড়ছে। এতে করে যানবাহন চলাচল ব্যাহত হচ্ছে বিভিন্ন সময় দুর্ঘটনা ঘটছে।
এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন অসংখ্য শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ যাতায়াত করেন। এ সড়কের পাশাপাশি রয়েছে গহরপুর জামেয়া, হযরত শাহ সুলতান মাদরাসা, দেওয়ান আব্দুর রহিম দ্বি-পক্ষিক হাইস্কুল এন্ড কলেজসহ গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এছাড়াও সুলতান পুর ইউনিয়ন স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র।
মাদরাসা বাজার, মোরার বাজার, দয়ামির বাজার, স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ সহ বিভিন্ন প্রতিস্টান। যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম এই সড়ক। মাদরাসা বাজার হতে মোরার বাজার অংশে স্থানীয় এলাকাবাসীর উদ্যাগে বিভিন্ন সময় বড়বড় গর্তে ইট বালু ফেলে যাতায়াত সুবিধা রক্ষা করা হয়েছে। বর্তমানে বর্ষা মৌসুমের শুরুেেতই প্রায় সব স্থানেই ছোট বড় গর্ত সৃষ্টি হয়ে চলাচলের অনুপোযোগী হয়ে পড়ছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সড়কটির এমন দুরবস্থা থাকলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সড়ক সংস্কারে কার্যকর উদ্যোগ নিচ্ছে না। সড়কে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার আশংকা দেখা দিয়েছে। এতে করে উপজেলা প্রকৌশল দপ্তরের দায়িত্বশীলতার অভাব স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। অনেকেই মনে করছেন, এটি উপজেলা প্রকৌশলী কর্তাদের দায়িত্বহীনতার একটি দৃষ্টান্ত।
এলাকাবাসীর দাবি, সংশ্লিষ্ট কর্তিপক্ষ দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহন করে। জরুরি ভিত্তিতে পূর্ণাঙ্গ সংস্কার কাজ সম্পন্ন করে জনদুর্ভোগ লাঘব করবে।
এব্যাপারে জানতে উপজেলা প্রকৌশলী ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ আজমীর শরীফের মুঠোফোনে একাধিক কল করা হয় তিনি প্রতিবেদকের ফোনকল রিসিভ করেননি।